বুধবার ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতের আগেই গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা, অযোগ্য তাঁবুতে ৮ লাখ ৬৭ হাজার ফিলিস্তিনি

অনলাইন ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   6 বার পঠিত

শীতের আগেই গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা, অযোগ্য তাঁবুতে ৮ লাখ ৬৭ হাজার ফিলিস্তিনি

গাজা উপত্যকাজুড়ে ২১ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি চরম মানবিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে ৮ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ বসবাসের অযোগ্য অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার সরকারি তথ্য দপ্তর।

গতকাল সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, শীতকাল ঘনিয়ে আসার মুখে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাঁবুতে বসবাসকারীদের মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি শিশু রয়েছে, যা সংকটের গভীরতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

বিবৃতিতে অবরুদ্ধ গাজায় কদাকার আবহাওয়া প্রতিরোধী তাঁবু, অন্তরণ সামগ্রী, ক্রেন ও অন্যান্য আশ্রয় সরঞ্জাম অবিলম্বে প্রবেশের সুযোগ দিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি বলেছে, ‘পরিস্থিতি সংকটের চরম সীমায় পৌঁছেছে।’ একই সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং সবচেয়ে অসহায় মানুষদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপরও এতে জোর দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে গাজার বাসিন্দারা খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার চরম সংকটে ভুগছেন বলে ত্রাণ সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছে।

গাজার সরকারি তথ্য দপ্তরের পূর্ববর্তী তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনী গাজার ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। আর জাতিসংঘের হিসাবে, এই ধ্বংসস্তূপ থেকে গাজাকে পুনর্গঠন করতে আনুমানিক ৭০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে।

সূত্র: আল জাজিরা

Facebook Comments Box

Posted ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

brahmanbaria2usa.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আরিফুর রহমান আরিফ

ARIFUR RAHMAN ARIF ( + 1 203-727-4273)

প্রধান সম্পাদক : হাকিকুল ইসলাম খোকন
সহসম্পাদক : মিম রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : সঞ্জিব ভট্টাচার্য
আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর অঞ্চল : আলহাজ্ব জায়দুল কবির ভাঙ্গী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : মিনহাজুল আবেদীন পলাশ
বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ দুলাল মিয়া